শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
“স্বাধীনবাংলা” টেলিভিশন (IP tv) পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে । “ স্বাধীনবাংলা টেলিভিশন” এ দেশের সকল জেলায় প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীগন সিভি পাঠান এই ঠিকানায়ঃ cv.shadhinbanglatv@gmail.com, Android Apps on Google Play থেকে ডাউনলোড করতে Shadhin Bangla Television লিখে সার্চ করুন ***

কৃষির হয়েছে যথেষ্ট উন্নয়ন কৃষকের হয়নি মোটেও অগ্রগমন

স্বাধীনবাংলা, আল মামুনঃ

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হ্যানরি কিসেঞ্জার সদ্য স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশ সম্পর্কে মন্তব্য করেন ‘তলাবিহীন ঝুড়ি’ হিসেবে। কিন্ত বাংলাদেশের কৃষকরা সেই তত্ত্বকে ভুল প্রমাণ করেছে।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল মাত্র ৭ কোটি ৫০ লক্ষ। এই জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশকে নির্ভর করতে হতো বিদেশের উপর। ১৯৭১-১৯৭২ সালে ১০০২৫ হাজার মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয় বাংলাদেশে। আমদানি করা হয় ৩৯০ হাজার মেট্রিক টন। ২০২০-২০২১ সালে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৩৪.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন।

যেটাকে রীতিমত অবিশ্বাস্য বলা যায় কারণ মাত্র ৫০ বছরের ব্যবধানে উৎপাদন বেড়েছে বহু বহু গুন। বর্তমানে ১৮ কোটি জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে চলেছে বাংলাদেশের কৃষকেরা। কিন্তু প্রশ্ন হলো কৃষি উৎপাদন বাড়লেও কৃষকের কি কোন উন্নতি হয়েছে? উত্তর হবে নেতিবাচক।

কৃষির উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক সেই তুলনায় কৃষি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাইনি।  সবচেয়ে বড় প্রশ্ন অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যাপকভাবে।  তারা কম মূল্যে কৃষি পণ্য ক্রয় করে তা অস্বাভাবিক বেশি মূল্যে বিক্রি করে।

এতে করে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয় প্রকৃত মূল্য না পেয়ে আবার ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত  হয় বেশি দামে পণ্য ক্রয় করে। বাজার ব্যবস্থাপনা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা ও সর্বনিম্ন মূল্য নির্ধারণের মাধ্যমে কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণ করা সম্ভব।

এছাড়াও প্রাকৃতিক দুর্যোগে (বন্যা, খরা, অতি বৃষ্টি ইত্যাদি) প্রায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষকরা। এককথায় বলতে গেলে বলা যায় যে, কৃষকরা নিজেরা পরিশ্রম করে উৎপাদন করে বিভিন্ন শস্য আর নিজেরা না খেয়ে অন্যকে খাওয়ায়। কৃষকরা বেচে আছে প্রান্তিক জনগৌষ্ঠি হিসেবে। এভাবে চলতে থাকলে এক সময় এমন আসবে কৃষকরা আর চাষ করবে না। মুখ থুবড়ে পড়বে দেশের অর্থনীতি।

খাদ্য উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হলে দেশ পড়বে এক মহা সংকটে। সে সংকট থেকে বের হবার আসুর কোন পথ থাকবে না। এ ধরনের আসন্ন মহা সংকট জেনে সংশ্লিষ্ট সকলকে কৃষি ও কৃষকদের স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী দেশের কৃষক সমাজের।

এদিকে গত কয়েকদিনের ঝড়ে খুলনা বিভাগের চুয়াডাঙ্গা জেলার জীবননগর উপজেলায় ধান, ভুট্টা, কলা ও আমের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতি সাধিত হয়েছে।

 

এসবিএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


আমাদের ফেসবুক পেইজ