সোমবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
“স্বাধীনবাংলা” টেলিভিশন (IP tv) পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে । “ স্বাধীনবাংলা টেলিভিশন” এ দেশের সকল জেলায় প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীগন সিভি পাঠান এই ঠিকানায়ঃ cv.shadhinbanglatv@gmail.com, Android Apps on Google Play থেকে ডাউনলোড করতে Shadhin Bangla Television লিখে সার্চ করুন ***

টেলিপ্যাথি ও বিজ্ঞান

স্বাধীনবাংলা, কাজী রুবায়েত ইসলামঃ

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের অনেক রহস্য উন্মোচিত হয়েছে বিজ্ঞানের কল্যাণে। তারপরও আমরা জ্ঞানের মহাসমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছি। কারণ মহাবিশ্বের জ্ঞান ভান্ডার এর গভীরতা এতটা ব্যাপক যা বর্তমান আবিষ্কারের অবস্থানকে সমুদ্র উপকূলের নুড়ির সাথে তুলনা করা যেতে পারে। তবে বাস্তবে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যা রয়ে গেছে পর্দার  আড়ালে। টেলিপ্যাথি এমন একটি বাস্তবতা যা অস্বীকার করা যাবে না, ধরা যেতে পারে এটি একটি ধ্রুব সত্য।

আমেরিকান জিম ডিক্সন, ক্রিস্টাল বল সাধনা করতেন। একদিন রেস্টুরেন্টে বসে গভীর মনোযোগ দিয়ে ক্রিস্টাল বলের ভেতরটা দেখছিলেন। হঠাৎ বললেন, ‘হোয়াইট হাউজের ওপর একটি কালো মেঘ খন্ড দেখছি।প্রেসিডেন্ট মারা গেছেন ‘। পরে জানা যায় ডালাসে যাওয়ার পথে আততায়ীর গুলিতে প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির মৃত্যু হয়। জিন ডিকসন যে সময়ে   প্রেসিডেন্টের মারা যাওয়ার কথা বলেছেন ঠিক সেই সময়ে তাঁর মৃত্যু হয়। জিন এর ব্যক্তিগত জীবনে অসংখ্য ঘটনা কাকতালীয়ভাবে মিলে গেছে। একবার বিমানবন্দরে জিন তার স্বামীকে জোর করে প্লেন থেকে নামিয়ে নিয়ে এলেন। জিন বললেন, তুমি আজকে যেওনা। পঁচিশ মিনিট পর খবর এলো প্লেন ক্রাশ করেছে, কেউ আর বেঁচে নেই। এরকম বহু ঘটনার সাথে টেলিপ্যাথির যোগসূত্র রয়েছে।

টেলিপ্যাথির বা চিন্তা যোগাযোগ সম্পর্কে সর্বপ্রথম বিজ্ঞানীদের সঙ্ঘবদ্ধ দৃষ্টি আকর্ষণ হয় উনবিংশ শতাব্দীর শেষ অংশে। টেলিপ্যাথি হল কোন বস্তুগত মাধ্যম বা চ্যানেল ছাড়া দুই ব্যক্তির মাঝে কথা চিন্তা,ছবি, ধারণা বা ভাবের আদান-প্রদান। ১৮৮২সালে ইংল্যান্ডের ডাবলিনস্ত  রয়েল কলেজ অফ সাইন্স এর পদার্থ বিজ্ঞানের অধ্যাপক স্যার উইলিয়াম ব্যারেট টেলিপ্যাথি বা চিন্তা স্থানান্তর এবং এক্সট্রাসেনসরি পারসেপশন( ইএসপি) সম্পর্কে গবেষণা পরিচালনার জন্য সোসাইটি ফর সাইকিক্যাল  রিসার্চ সেন্টার  গঠন করেন। এর সভাপতি হন স্যার হেনরি সিজ উইক। এছাড়াও ছিলেন ইলেকট্রনের আবিষ্কারক অধ্যাপক জে জে থমসন, স্যার উইলিয়াম ক্রুক্স, লর্ডরিলে, লর্ড বেলফোর, হেনরি বার্গসন, স্যার আর্থার কোনান ডয়েল, ঔপন্যাসিক মার্ক টোয়েন সহ প্রমুখ বিশ্ব বরেণ্য ব্যক্তিত্ব। পরবর্তীতে সোভিয়েত ইউনিয়নে, ফ্রান্স, আমেরিকায় টেলিপ্যাথি গবেষণায় নবযুগের সূচনা হয়।

এসবিএন/ কারুই


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


আমাদের ফেসবুক পেইজ