বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ১০:৩৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
“স্বাধীনবাংলা” টেলিভিশন (IP tv) পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে । “ স্বাধীনবাংলা টেলিভিশন” এ দেশের সকল জেলায় প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীগন সিভি পাঠান এই ঠিকানায়ঃ cv.shadhinbanglatv@gmail.com, Android Apps on Google Play থেকে ডাউনলোড করতে Shadhin Bangla Television লিখে সার্চ করুন ***

দণ্ডগুলো সাত বীরশ্রেষ্ঠর প্রতীক

স্বাধীনবাংলা, ডেস্ক নিউজঃ

পাশাপাশি দুটি সুউচ্চ সাদা রঙের স্তম্ভ। মাঝে লাল রক্তিম সূর্য। স্তম্ভ থেকে সাতটি দণ্ড মিশেছে লাল সূর্যে। দণ্ডগুলো সাত বীরশ্রেষ্ঠর প্রতীক। তাঁদের যেন বুকে ধারণ  করে আছে লাল রক্তিম সূর্যটা । সামনে প্রশস্ত সিঁড়ি। খুলনা-সাতক্ষীরা সড়কের দক্ষিণ পাশে এই ‘খুলনা গল্লামারী স্বাধীনতা স্মৃতিসৌধ’ মুক্তিযুদ্ধে বড় এক গণহত্যার নিদর্শন , আজও পাকিস্তানিদের পৈশাচিকতার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

দেশের মুক্তিযুদ্ধের সোনালী একাংশ খুলনা, আর খুলনার ওপর পাকিস্তানিদের নৃশংসতার এক পৈশাচিক নিদর্শন এর অংশ এই গল্লামারী বধ্যভূমি। বহুদিন অবহেলিত থাকার পরে, বর্তমান দেশনেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে  এটি রূপ পায় একটি  ভিন্ন শিল্পকলায়।

তবে এখনো থমকে রয়েছে এখানে অন্যান্য কয়েকটি প্রকল্পের কাজ। গল্লামারী স্মৃতিসৌধের মূল স্তম্ভের পাদদেশ সংস্কার করে নান্দনিক করা হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় দিবস উপলক্ষে সজ্জিত হয় এটি, তবে বাকি বছরের অধিকাংশ সময় কিছুটা হল অবহেলার ছাপ পাওয়া যায় এতে। তবুও প্রতিদিনই পতাকা উত্তোলন এবং নামানো হয় এখানে।

২০১১ সালে আধুনিকায়ন করে  উদ্বোধন করেন বর্তমান খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আবদুল খালেক। ১৯৭১এর সময়ের অনেকের মুখ থেকে জানা যায়, প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষকে তুলে নিয়ে আসা হতো পাকিস্তানিদের বিভিন্ন  আস্তানায়। চলত কয়েক দিন ধরে নির্যাতন। এরপর তাদের নিয়ে যাওয়া হতো গল্লামারী ও ফরেস্ট ঘাট এলাকায়। সেখানে তাদের গুলি ও জবাই করে হত্যা করা হতো। পাশে ভারতের সীমান্ত থাকার কারণে পাকিস্তানিদের পাশবিক নির্যাতনের কেন্দ্রভূমি ছিল খুলনা।বাংলাদেশে গল্লামারীর মতো আর কোনো স্থানে এত অধিকসংখ্যক বাঙালিকে হত্যা করা হয়নি বলে মনে করেন অনেকেই।

স্মৃতিস্তম্ভ এর পাশে বসবাসকারী এবং দর্শনার্থীর হতে জানা যায়, একাত্তরে পাকিস্তানি হানাদার দের বিভীষিকাময় অত্যাচার এর কাহিনী। স্মৃতিস্তম্ভের রক্ষণাবেক্ষণে দায়িত্বরত মুক্তিযোদ্ধা সাত্তার শিকদার এর ছেলে হায়দার শিকদার জানান, স্মৃতিস্তম্ভটির  অরক্ষিত পরিবেশ এ আছে এবং এর জন্য এখানে অবাধ আনাগোনা হয়। সীমানা নির্ধারণ করে প্রাচীর তুলে দেওয়া এবং দক্ষ জনবল নিয়োগের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ তৈরি করে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস তরুন প্রজন্মের কাছে তুলে দেয়ার একটি ক্ষেত্র তৈরি করা।

 

এসবিএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


আমাদের ফেসবুক পেইজ