বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
“স্বাধীনবাংলা” টেলিভিশন (IP tv) পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে । “ স্বাধীনবাংলা টেলিভিশন” এ দেশের সকল জেলায় প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীগন সিভি পাঠান এই ঠিকানায়ঃ cv.shadhinbanglatv@gmail.com, Android Apps on Google Play থেকে ডাউনলোড করতে Shadhin Bangla Television লিখে সার্চ করুন ***

প্রচন্ড তাপাদাহে মৎস্যচাষীরা বিপাকে,শুকিয়ে যাচ্ছে ঘের

চিতলমারী(বাগেরহাট)প্রতিনিধি :

করনাভাইরাসের প্রভাবে (white gold)”সাদা সোনা “খ্যাত চিংড়ি শিল্পে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। এ খাতের সাথে চড়িত লক্ষাধিক মানুষ রয়েছে অনিশ্চয়তায়। চিংড়ি চাষে দেশে শীর্ষে বাগেরহাট জেলা। করোনার প্রভাবে বন্ধ রয়েছে চিংড়ি রফতানি, তেমনি ঘের পরিচর্যা করে পাচ্ছে না মাছের পোনা। চাহিদা মত পোনা না পাওয়ায় গত বছরের মতো চাষীরা এবারেও লোকসানের মুখে পড়তে পারে।

বোরো মৌসুম শেষ হবার পরেও দেখা মিলছে না বৃষ্টির। বিক্ষিপ্তভাবে কিছু স্থানে বৃষ্টি হলে ও জেলার অধিকাংশ উপজেলার ঘেরগুলো  অতি রৌদ্রের কারনে পানি শূন্য। ঘেরের পারিতে যেয়ে কৃষকরা শুধু হা-হুতাশ করছে।

বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলা সহ একাধিক উপজেলায় ঘেরে কোন পানি নাই। মাছ ছাড়তে পারছে না চাষীরা পানির অভাবে। ঘোরগুলোতে যারা আগাম  মাছ ফেলেছে তাদের মাছ মারা যাচ্ছে।

বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে চিতলমারী ও ফকিরহাট উপজেলার চাষীরা। সরজমিনে চিতলমারী উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ঘুরে দেখা গেছে ঘেরে কোন পানি নেই। যাদের ঘেরে মাছ আছে তারা নিরুপায় হয়ে স্যালোর পানি দিচ্ছে ঘেরে নতুবা খাল খেকে লবন পানি তুলছে। ফলে মারা যাচ্ছে ঘেরের মাছ।

বাগেরহাট জেলায় ৭১ হাজার ৮৮৬ হেক্টর জমিতে ৮১ হাজার ৩৫৮টি ঘেরে বাগদা ও গলদা চিংড়ি চাষ করা হয়। করোনায় জেলায় ২৫০ কোটি  টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘের গুলোতে ৭৭ কোটি বাগদা ও ২১ কোটি গলদার চাহিদা থাকলেও অনেকে পানির অভাবে মাছের পোনা ছাড়তে পারছে না। এ ছাড়া কয়েক হাজার মেট্রিকটন সাদা মাছের পোনা (রুই,কাতলা,মৃগেল,চায়না পুটি,গ্রাসকার্প,ব্লাডকার্প) প্রয়োজন। লকডাউনের কারনে ব্যাপারিরা সাদা মাছ আনতে পারছে না। সব মিলিয়ে বৃষ্টির অভাবে বিপাকে আছে মৎসচাষীরা।

স্বাধীনবাংলা – চিতলমারী

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


আমাদের ফেসবুক পেইজ