শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
“স্বাধীনবাংলা” টেলিভিশন (IP tv) পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে । “ স্বাধীনবাংলা টেলিভিশন” এ দেশের সকল জেলায় প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীগন সিভি পাঠান এই ঠিকানায়ঃ cv.shadhinbanglatv@gmail.com, Android Apps on Google Play থেকে ডাউনলোড করতে Shadhin Bangla Television লিখে সার্চ করুন ***

বিজয়ের ইতিহাস প্রজন্মের পর প্রজন্মকে জানাতে চলচ্চিত্র নির্মাণের আহবান প্রধানমন্ত্রীর

স্বাধীনবাংলা, ডেস্ক নিউজঃ

বিজয়ের ইতিহাস প্রজন্মের পর প্রজন্মকে জানাতে আরো চলচ্চিত্র নির্মাণের আহবান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সকালে, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বসে তারকাদের মেলা।

যেখানে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন সরকার প্রধান। এসময়, সুস্থ্য চলচ্চিত্রকে পৃষ্ঠপোষকতা দিতে সরকারের অনুদানের কথা তুলে ধরে, তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণে পরিচালকদের আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আধুনিক সিনেমা তৈরিতে সরকারের নেয়া নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে, পাইরেসি নিয়ন্ত্রণে টাস্কফোর্সকে আরো কঠোর হওয়ার আহবান জানান বঙ্গবন্ধুকন্যা। অনুষ্ঠানে, চলচ্চিত্র অভিনেতা আনোয়ারা ও রাইসুল ইসলাম আসাদকে আজীবন সম্মাননাসহ ২৭ ক্যাটাগরিতে ৩২ জনকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে ২০২০ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তুলে দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।

এবার মোট ২৭টি বিভাগে ৩০টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ সিনেমা হয়েছে চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত ‘বিশ্বসুন্দরী’ ও গাজী রাকায়েত পরিচালিত ‘গোর’।

এরমধ্যে ‘বিশ্বসুন্দরী’ থেকে চিত্রনায়ক সিয়াম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা ও ‘গোর’ থেকে চিত্রনায়িকা দীপান্বিতা মার্টিন হয়েছেন শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী। সর্বোচ্চ ১১টি পুরস্কার পেয়েছে সরকারি অনুদানের সিনেমা ‘গোর’। আর একই সিনেমার জন্য ব্যক্তি হিসেবে সর্বোচ্চ ৪টি পুরস্কার পেলেন গাজী রাকায়েত।

আজীবন সম্মাননা গ্রহণ করেছেন অভিনেতা রাইসুল ইসলাম আসাদ। তবে যৌথভাবে আজীবন সম্মাননা পাওয়া কিংবদন্তি অভিনেত্রী আনোয়ারা সশরীরে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেননি। তার পক্ষে এটি গ্রহণ করেছেন তার মেয়ে অভিনেত্রী মুক্তি।

এছাড়াও যারা এ সম্মানজনক পুরস্কার পেলেন তারা হলেন-

শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক – গাজী রাকায়েত হোসেন (গোর)

শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা – এম ফজলুর রহমান বাবু (বিশ্বসুন্দরী)

শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী -অপর্ণা ঘোষ (গণ্ডি)

শ্রেষ্ঠ খল-অভিনেতা – মো. সাহিদ হাসান মিশা সওদাগর (বীর)

শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী – মুগ্ধতা মোরশেদ ঋদ্ধি (গণ্ডি)

শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার- মো. শাহাদৎ হাসান বাধন (আড়ং)

শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক – বেলাল খান (বিশ্বাস যদি যায়রে…)

শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক – প্রয়াত মো. সহিদুর রহামান (তুই কি আমার হবিরে…[বিশ্বসুন্দরী])

শ্রেষ্ঠ গায়ক – মো. মাহমুদুল হক ইমরান (তুই কি আমার হবিরে…[বিশ্বসুন্দরী])

শ্রেষ্ঠ গায়িকা – দিলশাদ নাহার কণা (তুই কি আমার হবিরে…[বিশ্বসুন্দরী]) এবং সোমনূর মনির কোনাল (ভালোবাসার মানুষ তুমি… বীর)

শ্রেষ্ঠ গীতিকার – কবির বকুল (তুই কি আমার হবিরে…[বিশ্বসুন্দরী])

শ্রেষ্ঠ সুরকার – মো. মাহমুদুল হক ইমরান (তুই কি আমার হবিরে…[বিশ্বসুন্দরী])

শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার -গাজী রাকায়েত হোসেন (গোর)

শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার-গাজী রাকায়েত হোসেন (গোর)

শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা- ফাখরুল আরেফীন খান (গণ্ডি)

শ্রেষ্ঠ সম্পাদক – মো. শরিফুল ইসলাম (গোর)

শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক- উত্তম কুমার গুহ (গোর)

শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক- পংকজ পালিত ও মো. মাহবুব উল্লাহ (নিয়াজ) [গোর]

শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক- কাজী সেলিম আহম্মেদ (গোর)

শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজ-সজ্জা- এনামতারা বেগম (গোর)

শ্রেষ্ঠ মেকআপম্যান- মোহাম্মদ আলী বাবুল

 

এসবিএন


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


আমাদের ফেসবুক পেইজ