শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
“স্বাধীনবাংলা” টেলিভিশন (IP tv) পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে । “ স্বাধীনবাংলা টেলিভিশন” এ দেশের সকল জেলায় প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীগন সিভি পাঠান এই ঠিকানায়ঃ cv.shadhinbanglatv@gmail.com, Android Apps on Google Play থেকে ডাউনলোড করতে Shadhin Bangla Television লিখে সার্চ করুন ***

বিভিন্ন দেশের প্রায় দশ লাখের বেশি মানুষ সমবেত হয়েছেন মিনায় ‘লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখরিত মিনা

বিভিন্ন দেশের প্রায় দশ লাখের বেশি মানুষ সমবেত হয়েছেন মিনায়

স্বাধীনবাংলা রির্পোটঃ

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রায় দশ লাখের বেশি মানুষ সমবেত হয়েছেন মিনায়। সেখানে এখন লাব্বাইক ধ্বনিতে মুখরিত। শুক্রবার (৮ জুলাই) তাঁরা সমবেত হবেন আরাফাতের ময়দানে।

আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে এই মিনার ময়দানেই নিজের শেষ খুৎবা দিয়েছিলেন ইসলাম ধর্মের প্রবর্তক মহানবী (সা.)। হজের প্রথম দিনের আনুষ্ঠানিকতাও শুরু হয় মিনা থেকেই।

ইসলামের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হজ। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমান পাপমুক্তি ও আত্মশুদ্ধির আকুল বাসনা নিয়ে পবিত্র হজ পালন করেছেন। আজ তাঁরা মিনায় অবস্থান করছেন। তাবুনগরী মিনায় এখন উচ্চারিত হতে শোনা যাচ্ছে—লাব্বাইকা আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লা শারিকা লাকা লাব্বাইক, ইন্নাল হাম্‌দা ওয়ান্‌নি’মাতা লাকা ওয়াল্‌মুল্‌ক্, লা শারিকা লাকা। (আমি হাজির, হে আল্লাহ আমি হাজির, তোমার কোনো শরিক নেই, সব প্রশংসা ও নিয়ামত শুধু তোমারই, সব সাম্রাজ্যও তোমার।)

শুক্রবার আরাফাতের ময়দানে সমবেত হবেন লাখ লাখ হাজি। সেখানে তাঁরা হজের খুতবা শুনবেন এবং জোহর ও আসরের নামাজ পড়বেন। সূর্যাস্ত পর্যন্ত চলবে এই আনুষ্ঠানিকতা।

পরদিন শনিবার সৌদি আরবে ঈদুল আজহার দিন পশু কোরবানি দিয়ে ইহরাম ছাড়বেন হাজিরা। এরপর কাবা শরীফকে বিদায়ী তাওয়াফের মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের হজ পর্ব।

বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য করোনা মহামারির ২ বছর পর সীমান্ত খুলে দেওয়া সৌদি সরকার অবশ্য বিগত যে কোনো বছরের তুলনায় এবার হাজিদের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তার বিষয়ে অত্যন্ত সজাগ। কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সৌদি দৈনিক আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, চলতি বছর হজযাত্রীদের জন্য ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র দুই শহর মক্কা ও মদিনায় ২৩টি হাসাপাতাল ও ১৪৭টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

তাছাড়া মিনা শহরেও প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৪টি হাসপাতাল ও ২৬টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র। হাসপাতালগুলোর নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ১ হাজারেরও বেশি শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে, আর এসব শয্যার মধ্যে ২০০টিরও বেশি বরাদ্দ করা হয়েছে হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীদের জন্য।

 

এসবিএন / এউরি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


আমাদের ফেসবুক পেইজ