বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:০৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
“স্বাধীনবাংলা” টেলিভিশন (IP tv) পরিক্ষামূলক সম্প্রচার চলছে । “ স্বাধীনবাংলা টেলিভিশন” এ দেশের সকল জেলায় প্রতিনিধি নিযুক্ত করা হবে। আগ্রহী প্রার্থীগন সিভি পাঠান এই ঠিকানায়ঃ cv.shadhinbanglatv@gmail.com, Android Apps on Google Play থেকে ডাউনলোড করতে Shadhin Bangla Television লিখে সার্চ করুন ***

বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের ৬৮ তম জন্মদিন আজ

স্বাধীনবাংলা, আনিচ্ছুজ্জামান বিপ্লবঃ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের ৬৮তম জন্মদিন আজ। ১৯৫৪ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্ম গ্রহণ করেন তিনি। শৈশব টুঙ্গিপাড়ায় কাটিয়ে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজে। সেখান থেকে ম্যাট্রিকুলেশন ও ঢাকা কলেজ থেকে ইন্টারমিডিয়েট পাস করেছিলেন শেখ জামাল।

বাবার ইচ্ছা পূরণ করতে যুক্তরাজ্য থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেনাবাহিনীর প্রথম ব্যাচের কমিশন্ড অফিসার ছিলেন শেখ জামাল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেটে পরিবারের সবার সঙ্গে শহীদ হয়েছিলেন সদ্য বিবাহিত শেখ জামালও। রাজধানীর ধানমণ্ডির ১৮ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে পরিবারের সবার সঙ্গে গৃহবন্দি হন শেখ জামালও। কিন্তু রক্তে যার দেশপ্রেম, তাকে বেশি দিন গৃহবন্দি রাখা যায়নি।

১৯৭১ সালের ৫ আগস্ট পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর তীক্ষ্ণ নজর থেকে পালিয়ে ভারতের আগরতলা চলে যান শেখ জামাল। সেখান থেকে কলকাতা হয়ে যান উত্তর প্রদেশের কালশিতে। সেখানে মুজিব বাহিনীর ৮০ জন নির্বাচিত তরুণের সঙ্গে ২১ দিনের বিশেষ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে এসে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন শেখ জামাল। তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে ৯ নম্বর সেক্টরের বীর মুক্তিযোদ্ধা।

১৯৭৫ সালের ১ আগস্ট থেকে স্যান্ডহার্স্টে নিয়মিত প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হওয়ার কথা ছিল। শর্ট কোর্সে ভালো করায় সেখানেও প্রশিক্ষণ নেয়ার সুযোগ পান শেখ জামাল। কিন্তু ততদিনে বাড়ির জন্য মন কেমন করা শুরু হয়ে গেছে শেখ জামালের। তাই এমন সুযোগ পেয়েও শেখ জামাল ফিরে আসেন দেশে। কে জানতো বাড়ি ফেরার এই সিদ্ধান্তই তার জীবনকে তছনছ করে দেবে। ১৯৭৫ সালের জুলাইয়ে দেশে ফিরে আসেন শেখ জামাল। সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট হিসেবে তার পোস্টিং হয় ঢাকা সেনানিবাসের দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে।

এরপর পরিবারের ইচ্ছায় বিয়ের পিঁড়িতে বসেন শেখ জামাল। স্ত্রী রোজী কামালের হাতের মেহেদির রঙ তখনো ফিকে হয়নি। এর মধ্যেই আসে বিশ্ব ইতিহাসের অন্যতম নৃশংস রাত ১৫ আগস্ট। ঘাতকের নির্মম বুলেটে স্ত্রী রোজীর হাতের মেহেদি আর বুকের তাজা রক্ত হয়ে যায় একাকার। পরিবারের সবার সঙ্গে শহীদ হন নির্ভীক, নিরহংকারী আর প্রতিশ্রুতিশীল এক সেনা কর্মকর্তা শেখ জামালও।

১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালরাতে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যের সঙ্গে শেখ জামালকেও হত্যা করে ঘাতকেরা। এদিকে সকাল সাড়ে ৯টায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে বনানীতে শেখ জামালের কবরে শ্রদ্ধা জানাবেন আওয়ামী লীগ নেতারা।

স্বাধীনবাংলা টিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.


আমাদের ফেসবুক পেইজ